Full width home advertisement

Travel the world

Climb the mountains

Post Page Advertisement [Top]

ইমরুল ফিরলেও জয় পেয়েছে বাংলাদেশ

 ইমরুল ফিরলেও জয় পেয়েছে বাংলাদেশ


দুর্দান্ত খেলছিলেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। ওপেনিং জুটিতে এই দুজন ১৪৮ রান তুলে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটির রেকর্ডটিকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ অবধি সিকান্দার রাজার বলে অলস এক শট খেলে ফিরেছেন লিটন। ৭৭ বলে লিটন ৮৩ রানের ইনিংস খেলেই ফিরলেন। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও হলো না সেটি। ইমরুল কায়েসও অন্য প্রান্তে সেঞ্চুরির সুবাস পাচ্ছিলেন। কিন্তু ৯০ রানে ফিরে যান তিনি। ওয়ানডেতে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ‘নার্ভাস নাইন্টিজ’–এর শিকার হলেন ইমরুল।

লিটনের ৮৩ রানের ইনিংসে আছে ১২টি চার ও একটি ছক্কা। উইকেটের চারদিকে দুর্দান্ত সব শটে চট্টগ্রামের দর্শকদের ভালোই আনন্দ দিয়েছেন তিনি। ইমরুলও মেরেছেন ৬টি চারের মার। লিটনের বিদায়ের পর উইকেটে আসা ফজলে রাব্বি ওই সিকান্দার রাজার বলেই স্টাম্পড হয়েছেন ব্রেন্ডন টেলরের হাতে। গত ম্যাচে অভিষিক্ত রাব্বি টানা দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হলের শূন্য রানে।  ইমরুল টানা দুই সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পথেই ছিলেন। কিন্তু ৩৭.৩ ওভারে সিকান্দার রাজাকে অনর্থক উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ দেন তিনি। ডাউন দ্য উইকেট এসে তুলে মারলেও টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফেলেছিলেন।

তার আগ পর্যন্ত ইমরুল কিন্তু দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন। ১১১ বলের ইনিংসে মাত্র ৭টি চারের মার থাকলেও ভালোই স্ট্রাইক অদল–বদল করে খেলেছেন এই ওপেনার। এই মুহূর্তে উইকেটে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী মোহাম্মদ মিঠুন। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে ২৭ রানের দূরত্বে বাংলাদেশ।

২৪৭ রানের লক্ষ্যটা খুব সহজ না হলেও  হাতের নাগালেই ছিল। এ ধরনের লক্ষ্য মোটামুটি সহজ হয়ে যায় ওপেনারদের সুন্দর শুরুতে। চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের রান তাড়াটা ভালোই হচ্ছিল। এই প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪০ ওভারে ৩ উইকেটে ২২০।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এখনো পর্যন্ত দুর্দান্ত। দলের বাকি ব্যাটসম্যানরা এটিকে টেনে নিয়ে যেতে পারলেই দারুণ একটা জয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজটা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]