Full width home advertisement

Travel the world

Climb the mountains

Post Page Advertisement [Top]

বিদেশি কল আনা-নেওয়া ব্যবসার লাইসেন্স পেতে ১৪ আবেদন

বিদেশি কল আনা-নেওয়া ব্যবসার লাইসেন্স পেতে ১৪ আবেদন


বিদেশি ফোন কল আনা-নেওয়ার ব্যবসা আইজিডব্লিউর লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছে ১৪ কোম্পানি। 

অনেক দিন হতেই নানা প্রতিকূলতায় চলতে থাকা এই ব্যবসায় সরকার আরও নতুন লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। এখন ১৪টি কোম্পানি আবেদন করলেও ঠিক কতটি লাইসেন্স দেওয়া হবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা দিতে পারেননি কেউ।

আবেদনকারী কোম্পানিগুলো হলো, সোলজার্স গিয়ারস, রেড বিচ রিসোর্স লিমিটেড, এভিস টেকনোলজিস লিমিটেড, রুটস টেক কমিউনিকেশন, ইনফিনিটি টেলিকম লিমিটেড, জয়েন আস নেটওয়ার্ক, আই বিজনেস হোল্ডিংস লিমিটেড, পদ্মা কমিউনিকেশন লিমিটেড, আমান টেল, রা ইনফোটেক, লেভেল থ্রি টেলিকম লিমিটেড, ওয়েল ইনফরমেশন টেক, টুজি টেলিকম এবং রানা ট্রেডিং লিমিডেট।বর্তমানের ২৫টি লাইসেন্স থাকলেও মাঝখানে সরকার চারটি লাইসেন্স বাতিল করেছে। তাছাড়া সব মিলে ছয়টি কোম্পানির কাছে রেভিনিউ শেয়ারিং বাবদ সরকারে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বহু বছর অনাদায়ি রয়েছে।



এক সময় সবগুলো অপারেটর মিলে দিনে এগারো কোটি মিনিটের বেশি কল দেশে আনতো। তাদের স্বেচ্ছাচারি আচরণের কারণে কল কমতে কমতে এখন সেটি দিনে চার কোটি মিনিটে নেমে এসেছে।

আগে সরকারের ঠিক করে দেয়া রেট ছিল প্রতি মিনিটের জন্যে দেড় সেন্ট। কিন্তু অপারেটররা নিজেরা জোটবদ্ধ হয়ে দুই সেন্টের নীচে কোনো কল দেশে ঢুকতে দেয়নি। ফলে দ্রুত বেড়েছে অবৈধ কলের পরিমাণ।

২০০৮ সালে সরকার প্রথম আন্তর্জাতিক গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউর লাইসেন্স চালু করে এবং চারটি লাইসেন্স দেয়। পরে ২০১২ সালে এসে আরও ২৫টি লাইসেন্স দেওয়া হয়।

২০১২ সালের আগ পর্যন্ত বছরে সরকারের এ খাত থেকে আয় হতো ১৬’শ কোটি টাকার ওপরে। এখন সেটি নেমে পাঁচ’শ কোটি টাকার কাছাকাছি চলে এসেছে। বেশি লাইসেন্স দেয়া এক্ষেত্রে প্রধান কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Bottom Ad [Post Page]